<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Muktibani</title>
	<link>https://www.muktibani.com</link>
	<description>www.muktibani.com</description>
	<pubDate>Tue, 03 Nov 2026 06:56:55 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>মৌলভীবাজারে আলাদা দুই ঘটনায় সাবেক এমপির ছেলে ও যুবলীগ নেতা গ্রেফতার</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14215</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14215#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 03 Nov 2026 06:56:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[আওয়ামীলীগ]]></category>

		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[মৌলভীবাজার]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[সিলেট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14215</guid>
		<description><![CDATA[মুক্তিবাণী নিউজ ডেক্স :]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মৌলভীবাজারে পৃথক দুইটি ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্যের ছেলে ফজলে রাব্বি সাদমান ও জেলা যুবলীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট গৌছ উদ্দিন নিক্সনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে মৌলভীবাজার শহরের একটি এলাকা থেকে ফজলে রাব্বি সাদমানকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমেদের ছোট ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাদমানের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা রয়েছে। তার বাবা সাবেক সংসদ সদস্য নেছার আহমেদ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।</strong></p>
<p><img src="https://www.muktibani.com/cloud/archives/2026/11/img_20261103_125200-thumbnail.jpg" alt="ফাইল ছবি" /></p>
<p>অন্যদিকে, জেলা যুবলীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট গৌছ উদ্দিন নিক্সনকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ অক্টোবর দিবাগত রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিক্সনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন বলে সূত্র জানায়।</p>
<p>মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তারা মৌলভীবাজার শহরে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।</p>
<p>স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে এখন এই দুই গ্রেফতার। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই গ্রেফতারগুলো নেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মৌলভীবাজারে সাবেক শাসনামলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আইনি প্রক্রিয়ার একটি বড় অংশ এটি। পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকায় আগামীতে আরও গ্রেফতার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14215/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার ফোরাম</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14213</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14213#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:46:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14213</guid>
		<description><![CDATA[মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স :]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কর্তৃক সম্প্রতি ফেসবুক লাইভে এসে প্রকাশ্যে ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার অনাকাঙ্ক্ষিত, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও অসহিষ্ণু ঘটনার তীব্র নিন্দা, গভীর উদ্বেগ ও কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার ফোরাম। একইসঙ্গে ফোরামের শীর্ষ নেতৃত্ব এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।</strong></p>
<p><img src="https://www.muktibani.com/cloud/archives/2026/11/img_20261102_193357-thumbnail.jpg" alt="ফাইল ছবি" /></p>
<p>জাতীয় মানবাধিকার ফোরামের চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রাজ্জাক রাজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা যেকোনো গণতান্ত্রিক ও মুক্ত সমাজের অন্যতম মৌলিক স্তম্ভ। রাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে প্রকাশ্যে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার এই ঘটনা কেবল স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপই নয়, বরং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। জাতীয় মানবাধিকার ফোরাম মনে করে, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন উসকানিমূলক আচরণ সংবাদকর্মীদের মাঝে ভীতির সঞ্চার করে এবং সমাজে অপসংস্কৃতি ও অসহিষ্ণুতাকে উৎসাহিত করে, যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।</p>
<p>সংবাদপত্রের কোনো সংবাদের সাথে ভিন্নমত বা আপত্তি থাকলে তা নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগ উপায়ে সমাধানের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তা না করে এভাবে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার মলদ্বীনাত্মক কর্মকাণ্ড সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করার এক ধরনের পরোক্ষ হুমকি হিসেবেই বিবেচিত হয়। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের কাছে থেকে গণমাধ্যমের প্রতি আরও সহনশীল ও শ্রদ্ধাশীল আচরণ কাম্য।</p>
<p><strong>জাতীয় মানবাধিকার ফোরামের দাবিসমূহ:</strong></p>
<p>অবিলম্বে এই অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।</p>
<p>দেশের সকল গণমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের ভয়ভীতিহীন ও স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>জাতীয় মানবাধিকার ফোরাম দৃঢ়ভাবে মনে করে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার কোনো অপচেষ্টা কখনোই সফল হবে না। একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার মতো ঘটনা কেবল সাংবাদিকদের নয়, বরং সমগ্র জাতির বিবেককে আহত করে। এই ধরনের অসহিষ্ণু ও উসকানিমূলক আচরণের বিরুদ্ধে ফোরাম সর্বদা সোচ্চার থাকবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় তার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে সংবাদমাধ্যমের প্রতি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে ফোরাম।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14213/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দুর্যোগের বরাদ্দে দুর্নীতির ছায়া: জবাবদিহির বাইরে পিআইও-ডিআরআরও কার্যালয়?</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14211</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14211#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:13:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14211</guid>
		<description><![CDATA[এস এম মেহেদী হাসান]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দুর্যোগ মানুষের জীবনে বিপর্যয় নিয়ে আসে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন কিংবা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। আর সেই দায়িত্ব পালনে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু এই খাতের অর্থ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে যদি অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তা শুধু সরকারি অর্থের অপচয় নয়, বিপদে পড়া মানুষের অধিকার হরণেরও শামিল।</strong></p>
<p><img src="https://www.muktibani.com/cloud/archives/2026/11/courtsey-coxbangla-thumbnail.jpg" alt="ফাইল ছবি" />দেশের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) কার্যালয় ঘিরে সাম্প্রতিক অডিট প্রতিবেদনে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে ৩ হাজার ২৪টি অডিট আপত্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৯৩০টি গুরুতর। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সারা দেশে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ জন পিআইও ও ডিআরআরও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে এবং ২৯ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এই পরিসংখ্যান কোনো সাধারণ প্রশাসনিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয় না; বরং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে আর্থিক শৃঙ্খলা ও নজরদারির বড় ধরনের ঘাটতির প্রশ্ন সামনে আনে।</p>
<p><strong>মানুষের জন্য বরাদ্দ, কিন্তু সুবিধা কার?</strong></p>
<p>টিআর, কাবিখা, কাবিটা, জিআর এবং হতদরিদ্রদের গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের অর্থ মূলত সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হওয়ার কথা। গ্রামীণ সড়ক সংস্কার, ছোট অবকাঠামো নির্মাণ, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা—এসব কাজের জন্যই এসব বরাদ্দ দেওয়া হয়।</p>
<p>কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, কিছু এলাকায় প্রকল্পের নামে বরাদ্দ নেওয়া হলেও বাস্তবে কাজ হয় না, অথবা কাজের তুলনায় বেশি বিল দেখানো হয়। কোথাও নামসর্বস্ব মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার কিংবা প্রতিষ্ঠানের নামে প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ হয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p>এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা জরুরি। তবে যদি অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়, তাহলে এর ক্ষতি বহুমাত্রিক। একটি গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার না হলে কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সহায়তা না পেলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে। অর্থাৎ কাগজে-কলমে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তবে মানুষ তার সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।</p>
<p><strong>অব্যয়িত অর্থ জমা না দেওয়ার অভিযোগ </strong>সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয় না হলে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সাধারণভাবে অর্থবছর শেষ হওয়ার পর ৩০ জুনের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব চূড়ান্ত করে অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা।</p>
<p>কিন্তু মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ অডিটে কিছু পিআইও ও ডিআরআরওর বিরুদ্ধে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জিআর, টিআর, কাবিখা, কাবিটা এবং গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের অর্থ বছরের পর বছর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে থেকে যাচ্ছে। এভাবে সরকারি অর্থ আটকে রাখা হলে তা আর্থিক অনিয়মের পাশাপাশি সরকারি হিসাব ব্যবস্থার স্বচ্ছতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।</p>
<p>মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইদুর রহমান খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যারা অব্যয়িত অর্থ জমা না দিয়ে নিজেদের কাছে রেখেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই উদ্যোগ যেন শুধু শোকজ বা বিভাগীয় মামলার ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না থাকে। সরকারি অর্থ কোথায় গেছে, কারা এর সুবিধা নিয়েছে এবং কত টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে—এসব তথ্যও জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন।</p>
<p><strong>একই কর্মস্থলে বছরের পর বছর: অনিয়মের সুযোগ কোথায়?</strong></p>
<p>সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একই কর্মস্থলে সাধারণত তিন বছরের বেশি থাকার কথা নয়। অথচ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু পিআইও ও ডিআরআরও পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। বদলির আদেশ ঠেকাতে কেউ কেউ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলাও করেছেন। দেশের ১১টি উপজেলায় কর্মরত পিআইওদের বদলি-সংক্রান্ত মামলার বিষয়টি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।</p>
<p>একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার পেছনে ব্যক্তিগত বা প্রশাসনিক নানা কারণ থাকতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় একই জায়গায় দায়িত্ব পালন করলে স্থানীয় ঠিকাদার, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে যেসব দপ্তরে সরকারি বরাদ্দ, প্রকল্প নির্বাচন, কাজের তদারকি ও বিল অনুমোদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে, সেখানে নিয়মিত বদলি এবং কার্যকর তদারকি জরুরি।</p>
<p>তবে বদলিই দুর্নীতি বন্ধের একমাত্র উপায় নয়। একজন কর্মকর্তাকে বদলি করে অন্যজনকে দায়িত্ব দিলেই অনিয়মের সংস্কৃতি বদলে যাবে না। প্রয়োজন প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, স্বাধীন নিরীক্ষা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা।</p>
<p><strong>অভিযোগ ফাইলবন্দি হলে দুর্নীতির সাহস বাড়ে </strong>সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, পিআইও ও ডিআরআরওদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ জমা পড়লেও অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো যথাযথভাবে নিষ্পত্তি হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। কোনো কোনো অভিযোগ ফাইল থেকে গায়েব হয়ে যাওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে এসব ঘটতে পারে বলেও অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p>এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু মাঠপর্যায়ের দুর্নীতির বিষয় নয়; বরং পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। মাঠপর্যায়ে কোনো কর্মকর্তা অনিয়ম করলেও যদি দপ্তরের ভেতরে প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগ আটকে দেওয়া যায়, তাহলে দুর্নীতির ঝুঁকি আরও বাড়ে। ফলে শুধু অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই হবে না, অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় কারা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে।</p>
<p><strong>প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা </strong>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। প্রথমত, প্রতিটি প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের বিবরণ, বাস্তবায়নের সময়সীমা এবং ব্যয়ের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর শুধু কাগজপত্র দেখে নয়, সরেজমিনে গিয়ে কাজের মান ও বাস্তব অগ্রগতি যাচাই করতে হবে। তৃতীয়ত, অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে হবে।</p>
<p>এ ছাড়া স্থানীয় জনগণকে প্রকল্প তদারকিতে যুক্ত করা যেতে পারে। কোন এলাকায় কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কী কাজ হওয়ার কথা এবং বাস্তবে কতটুকু কাজ হয়েছে—এসব তথ্য সহজে জানার সুযোগ থাকলে অনিয়ম করা কঠিন হবে। অভিযোগ জানানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং অভিযোগকারীর নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তদন্তে দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পদমর্যাদা বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার এবং প্রয়োজন হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
<p>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এটি জনগণের করের টাকা, যা দুর্যোগে বিপর্যস্ত ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় হওয়ার কথা। সেই অর্থ আত্মসাৎ করা মানে বিপদে পড়া মানুষের প্রাপ্য সহায়তা কেড়ে নেওয়া। তাই পিআইও ও ডিআরআরও কার্যালয়ের অনিয়মের অভিযোগকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।</p>
<p>মন্ত্রণালয় যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে, তা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। ৩ হাজার ২৪টি অডিট আপত্তি এবং ৯৩০টি গুরুতর আপত্তির নিষ্পত্তি শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি সরকারি অর্থের সুরক্ষা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপই পারে এই খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে। দুর্যোগের সময় মানুষ যেন সহায়তার জন্য সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে—কোনো অসাধু কর্মকর্তা বা সিন্ডিকেটের দিকে নয়, সেটিই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অঙ্গীকার। সূত্র: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন।</p>
<p>লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিক</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14211/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বড়লেখায় জিন্নী হুজুরের নামে প্রতারণা, চারজন গ্রেফতারসহ উদ্ধার সব স্বর্ণালংকার</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14207</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14207#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 08:58:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>

		<category><![CDATA[বড়লেখা]]></category>

		<category><![CDATA[মৌলভীবাজার]]></category>

		<category><![CDATA[সিলেট]]></category>

		<category><![CDATA[জিন্নী হুজুর]]></category>

		<category><![CDATA[বড়লেখা থানা পুলিশ]]></category>

		<category><![CDATA[বড়লেখায় প্রতারণা]]></category>

		<category><![CDATA[স্বর্ণালংকার উদ্ধার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14207</guid>
		<description><![CDATA[বড়লেখা  প্রতিনিধি ::]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-5a0de3-thumbnail.jpg" alt="বড়লেখায় জিন্নী হুজুরের নামে প্রতারণা, চারজন গ্রেফতারসহ উদ্ধার সব স্বর্ণালংকার" /></p>
<p><strong>মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অসুস্থ ছেলেকে সুস্থ করে দেওয়ার আশ্বাসে এক নারীর কাছ থেকে দুই দফায় ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৭১২ টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করেছে একটি প্রতারক চক্র। এ ঘটনায় চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ। তাঁদের হেফাজত থেকে আত্মসাৎ করা সব স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।</strong></p>
<p>গ্রেফতারকৃতরা হলেন বড়লেখা উপজেলার আহমদপুর গ্রামের করবুল নেছা (৬০), হিনাইনগর গ্রামের তাজ উদ্দিন (৪৫) এবং জুড়ী উপজেলার আমতৈল গ্রামের বিজয় বৈদ্য (৪৮) ও হরিরামপুর গ্রামের রিপন মিয়া (৩৮)। গত ১ নভেম্বর বড়লেখা ও জুড়ী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৫ ভরি ৬ আনা ২ রতি ২ পয়েন্ট ওজনের আত্মসাৎকৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।</p>
<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-15746e-thumbnail.jpg" alt="বড়লেখায় জিন্নী হুজুরের নামে প্রতারণা, চারজন গ্রেফতারসহ উদ্ধার সব স্বর্ণালংকার" /></p>
<p>থানা সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট অজ্ঞাতনামা এক নারী বড়লেখা উপজেলার হিনাইনগর গ্রামের রোকেয়া বেগমকে ফোন করে জানান, তাঁর অসুস্থ ছেলেকে কথিত জিন্নী হুজুর সুস্থ করে দিতে পারবেন। তবে এ জন্য কিছু শর্ত মানতে হবে এবং বিষয়টি কাউকে জানানো যাবে না। কাউকে জানালে ছেলের ক্ষতি হবে বলেও তাঁকে ভয় দেখানো হয়। ছেলের সুস্থতার আশায় ওই নারীর কথায় বিশ্বাস করে ভুক্তভোগী বাড়ির পেছনে ডিপ টিউবওয়েলের ম্যানহোলের ঢাকনার ওপর একটি পরিষ্কার বাটিতে স্বর্ণালংকার রেখে আসেন। দুই ঘণ্টা পর সেখানে ফিরে গিয়ে দেখেন, স্বর্ণালংকারগুলো নেই।</p>
<p>পরে ওই নারীকে ফোন করলে জানানো হয়, জিন্নী মুমিন স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন। এক মাসের মধ্যে তাঁর ছেলে সুস্থ হয়ে যাবে এবং স্বর্ণালংকার ফেরত পাবেন। এর কিছুদিন পর গত ১৬ অক্টোবর একই নারী আবারও ফোন করে আরও স্বর্ণালংকার একই স্থানে রেখে আসতে বলেন। এবার স্বর্ণালংকার না রাখলে ছেলে পাগল হয়ে যাবে এবং রাখলে এক ঘণ্টার মধ্যে আগের স্বর্ণালংকারসহ সব ফেরত পাওয়া যাবে বলে ভয় দেখানো হয়। ছেলের ক্ষতির আশঙ্কায় ভুক্তভোগী দ্বিতীয় দফায়ও সেখানে স্বর্ণালংকার রেখে আসেন। কিন্তু ফিরে গিয়ে এবারও সেগুলো পাননি।</p>
<p>এভাবে দুই দফায় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৫ ভরি ৬ আনা ২ রতি ২ পয়েন্ট ওজনের স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করা হয়। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৭১২ টাকা।</p>
<p>পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ কামরুল ইসলাম, এএসআই প্রসেন কান্তি দাস, এএসআই সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও তাঁদের সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। প্রথমে বড়লেখা উপজেলার আহমদপুর ও হিনাইনগর এলাকা থেকে করবুল নেছা ও তাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিজয় বৈদ্য ও রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p>এ সময় তাঁদের কাছ থেকে আত্মসাৎকৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে একটি সিতাহার, দুই জোড়া ঝুমকা ও একটি আংটি। ভুক্তভোগী নিজেই উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারগুলো শনাক্ত করেন।</p>
<p>এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১ নভেম্বর বড়লেখা থানায় পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে।</p>
<p>গ্রেফতার চারজনকে ২ নভেম্বর বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14207/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দেশের ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু, ফি ৮-১০ হাজার টাকা</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14205</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14205#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 07:08:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আইন-আদালত]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[অটোরিকশা নিবন্ধন ফি]]></category>

		<category><![CDATA[ই-রিকশা নিবন্ধন]]></category>

		<category><![CDATA[ই-রিকশা বিধিমালা]]></category>

		<category><![CDATA[মীর শাহে আলম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14205</guid>
		<description><![CDATA[মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-7ede12-thumbnail.jpg" alt="দেশের ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু, ফি ৮-১০ হাজার টাকা" /></p>
<p><strong>ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য এককালীন ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। প্রতি বছর নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ বছর।</strong></p>
<p>রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে আজ থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করা যাবে।</p>
<p>দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার প্রাথমিক নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা। বার্ষিক নবায়ন ফি যথাক্রমে ৪ হাজার ও ৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া ফিটনেস সনদের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা।</p>
<p>নিবন্ধিত প্রতিটি ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট ও প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত ব্লু-বুক দেওয়া হবে। তবে নম্বর প্লেটের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা ফি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p><strong>নতুন বিধিমালা অনুযায়ী,</strong> নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও প্রধান বাস চলাচলের সড়কেও এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা, যাত্রী ধারণক্ষমতা ও চলাচলের রুট নির্ধারণ করা হবে।</p>
<p>প্রতিটি ই-রিকশাকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত মান পূরণ করতে হবে। পুরোনো ই-রিকশাগুলোকেও প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন করে অনুমোদন নিতে হবে।</p>
<p>ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি অঞ্চল নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য থাকবে আলাদা রং। তবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলেও একসঙ্গে সব ই-রিকশা সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন ও অবৈধ যান অপসারণের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14205/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’, অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14202</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14202#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 06:52:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আবহাওয়া]]></category>

		<category><![CDATA[উপকূল]]></category>

		<category><![CDATA[এশিয়া]]></category>

		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>

		<category><![CDATA[ভারত]]></category>

		<category><![CDATA[অন্ধ্র উপকূল]]></category>

		<category><![CDATA[ঘূর্ণিঝড় মুরাসু]]></category>

		<category><![CDATA[বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14202</guid>
		<description><![CDATA[মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-a36fe0-thumbnail.jpg" alt="শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’, অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা" /></p>
<p><strong>বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।</strong></p>
<p>সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের সই করা ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p><strong>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,</strong> পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার পাশাপাশি আরও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে এটি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে।</p>
<p><strong>আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,</strong> সোমবার ভোররাত ৩টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।</p>
<p>ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14202/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>Sagar-Runi murder case: 132 deadlines pass, families still await justice</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14200</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14200#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 06:46:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[Crime &amp; Justice]]></category>

		<category><![CDATA[World]]></category>

		<category><![CDATA[Meherun Runi]]></category>

		<category><![CDATA[Sagar Sarowar]]></category>

		<category><![CDATA[Sagar-Runi murder case]]></category>

		<category><![CDATA[Saleha Monir]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14200</guid>
		<description><![CDATA[Muktibani Online Report]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-0c4799-thumbnail.jpg" alt="Sagar-Runi murder case: 132 deadlines pass, families still await justice" /></p>
<p><strong>With November 5 set as the 132nd deadline, Sagar’s 74-year-old mother hopes to see justice before her death</strong></p>
<p>“Governments keep changing one after another, but there has been no progress. Whom should I turn to for justice?”</p>
<p>At 74, Saleha Monir broke down in tears as she spoke about her son, journalist Sagar Sarowar, and daughter-in-law, Meherun Runi, who were murdered nearly 15 years ago.</p>
<p>Her greatest wish is now to see those responsible brought to justice while she is still alive.</p>
<p>Despite 132 deadlines being set for submitting the investigation report, investigators have yet to complete the probe. The prolonged delay has left the families increasingly frustrated and devastated, with little hope of a breakthrough after years of waiting.</p>
<p>“What mother would not want justice? It was such a clear-cut incident. So many years have passed, yet no one has been able to uncover anything,” Saleha, Sagar’s mother, told Media yesterday.</p>
<p>“I hope to see justice served while I am still alive,” she said, her voice breaking during the phone conversation.</p>
<p>Saleha said she had seen on television that the task force had been granted another six months to complete the investigation, but no one from the team had contacted her.</p>
<p>“The PBI contacted me a long time ago,” she added.</p>
<p>Nowsher Alam Roman, Runi’s brother, who filed the case with Sher-e-Bangla Nagar Police Station the day after the killings, criticised the task force for repeatedly seeking more time.</p>
<p>“The task force’s repeated requests for six-month extensions amount to nothing more than a delay tactic. This only proves that the task force has been unable to make progress,” he said.</p>
<p>However, he considered the High Court’s decision to summon International Crimes Tribunal (ICT) Prosecutor Tanvir Hassan Zoha and the head of the task force a positive development.</p>
<p>“Close coordination between the ICT prosecutor and the investigating agency is crucial. There should be accountability regarding how far the investigating agency has progressed based on the information he has obtained,” he told Media.</p>
<p>Sagar Sarowar was the news editor of Maasranga TV, while his wife, Meherun Runi, was a senior reporter at ATN Bangla. They were killed in the early hours of February 11, 2012, at their rented flat in West Rajabazar in the capital.</p>
<p>Their only child, Mahir Sarowar Megh, who was five years old at the time, was in the apartment when the killings took place.</p>
<p>Eight suspects &#8212; Kamrul Islam alias Arun, Abu Sayeed, Rafiqul Islam, Bakul Miah, Masum Mintu, Palash Rudra Paul, Anamul Haque alias Humayun Kabir and Tanveer Rahman Khan &#8212; were arrested in connection with the murders.</p>
<p>Tanveer and Mintu are now on bail, while Palash is absconding. The remaining suspects are in jail.</p>
<p>On September 30 this year, Dhaka Metropolitan Magistrate Ariful Islam set November 5 as the deadline for submitting the investigation report, a police officer said.</p>
<p><strong>THE CASE</strong></p>
<p>Following the filing of the case on February 12, 2012, Sher-e-Bangla Nagar Police Station was initially assigned to investigate it. The investigation was transferred to the Detective Branch (DB) of police on February 16. The DB continued the probe until April 18 that year.</p>
<p>The case was subsequently handed over to the Rapid Action Battalion (RAB), now Special Response Battalion, in April 2012. The force investigated the murders until November 3, 2024.</p>
<p>On October 23, 2024, a four-member task force was formed to investigate the case following a High Court order, with the head of the Police Bureau of Investigation (PBI) serving as its convener. The PBI took over the investigation on November 4, 2024.</p>
<p>Meanwhile, the task force submitted a 27-page progress report to the registrar general of the Supreme Court on October 19.</p>
<p>The report, signed by investigation officer Azizul Haque, an additional superintendent of police at the PBI, said previous investigators had recorded statements from 167 witnesses.</p>
<p>During the task force’s tenure, 90 witnesses were questioned, and statements from 24 of them were recorded, the report said.</p>
<p>It also stated that a letter had been sent to ICT Chief Prosecutor Aminul Islam and Prosecutor Tanvir Hassan Zoha, seeking the handover of digital evidence and data preserved by the tribunal relating to former army officer Ziaul Ahsan and a cultural personality for further investigation.</p>
<p>“However, no information has been received so far,” the report said.</p>
<p>Investigator Azizul Haque declined to disclose further details when contacted yesterday.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14200/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>Ashulia garment workers clash with police over detention rumours</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14198</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14198#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 06:43:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[Capital]]></category>

		<category><![CDATA[Country]]></category>

		<category><![CDATA[000]]></category>

		<category><![CDATA[Ashulia garment workers]]></category>

		<category><![CDATA[garment workers' protest]]></category>

		<category><![CDATA[minimum wage Tk 30]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14198</guid>
		<description><![CDATA[Muktibani Online Report]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-15a036-thumbnail.jpg" alt="Ashulia garment workers clash with police over detention rumours" /></p>
<p><strong>Police fired tear gas and used water cannons today to disperse garment workers in Ashulia after they left several factories and attempted to block roads, demanding a minimum monthly wage of Tk 30,000, an end to blacklisting and fulfilment of other demands.</strong></p>
<p>Mohibullah Akon, assistant commissioner (AC land) of Ashulia Circle, confirmed to Media over the phone at around 9:45am that workers from several factories had walked out of their workplaces.</p>
<p>He said the workers had twice attempted to block the Nabinagar-Chandra highway in the Kabirpur area, adding, “We are trying to bring the situation under control.”</p>
<p>Rumours that workers had been detained prompted police and garment workers to take positions opposite each other in Nishchintapur on the Bypail-Abdullahpur road. When workers attempted to block the road, police fired tear gas and used water cannons to disperse them, the assistant commissioner said.</p>
<p>Subsequently, most factories on both sides of the road declared a holiday, he added.</p>
<p>According to witnesses, workers initially gathered in front of an Ananta Group factory in the morning before moving to a Ha-Meem Group factory, where they threw bricks and stones at police.</p>
<p>Tensions escalated when workers attempted to block the road. Clashes broke out between workers and police, involving chases and counter-chases.</p>
<p>A worker at Newage Group said they left the factory after arriving for work in the morning amid reports circulating overnight that workers had been detained. The factory subsequently declared a holiday, the worker added.</p>
<p>Harun Or Rashid, inspector (investigation) of Ashulia Police Station, and Saiful Alam, officer-in-charge of Savar Model Police Station, confirmed to Media that no cases had been filed and no one had been detained in connection with the protests.</p>
<p>Mohammad Mominul Islam Bhuiyan, superintendent of police of Ashulia Industrial Police-1, said in a WhatsApp message at around 10:30am that the exact number of factories declaring holidays that day could not yet be determined.</p>
<p>“The situation is going to be deteriorated,” he said.</p>
<p>Garment workers&#8217; protests triggered clashes, arson and highway blockades in Dhaka and its outskirts, as well as in Gazipur, yesterday—the same day the government formed a new wage board.</p>
<p>By evening, at least 529 garment factories in Mirpur, Savar, Ashulia, Gazipur and Mymensingh had declared holidays, according to a situation report shared by the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA).</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14198/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কূটনৈতিক আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14196</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14196#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 06:38:12 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>

		<category><![CDATA[ব্যবসা-বাণিজ্য]]></category>

		<category><![CDATA[ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত]]></category>

		<category><![CDATA[ওপেক প্লাস]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ববাজারে তেলের দাম]]></category>

		<category><![CDATA[ব্রেন্ট ক্রুডের দাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14196</guid>
		<description><![CDATA[মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-1b55ae-thumbnail.jpg" alt="কূটনৈতিক আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম" /></p>
<p><strong>ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। সোমবার এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতেই অপরিশোধিত তেলের দুই প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।</strong></p>
<p>সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে ইরান ও কাতারের সরকারি কর্মকর্তারা টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আলোচনায় অগ্রগতির সম্ভাবনাই তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।</p>
<p>সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ৮০ সেন্টে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম কমে দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ৫০ সেন্টে। অয়েলপ্রাইস ডটকম ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>এর আগে গত অক্টোবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। মাসের শেষ কার্যদিবস ৩০ অক্টোবর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৮ ডলারে ওঠে। ওই মাসে ব্রেন্টের দাম বেড়েছিল ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে ডব্লিউটিআইয়ের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল ১৫ দশমিক ২ শতাংশ।</p>
<p>আগামীকাল ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এতে তেলের বাজারে বাড়তি চাপ পড়ে। নির্বাচন শেষে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক পদক্ষেপ আরও জোরালো হতে পারে—এমন আশঙ্কায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন ব্যবসায়ীরা।</p>
<p>তবে গত সপ্তাহে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার পর কূটনৈতিক আলোচনার খবর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে। বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার রয়টার্সকে বলেন, গত সপ্তাহে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির পর বাজারে কিছুটা সংশোধন হয়েছে।</p>
<p>তবে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ও অবস্থান আরও কঠোর হলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ওয়াটারার।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, এবার তেলের দাম আগের মতো বেশি না বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ চীনের চাহিদা কমে যাওয়া। দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ। পাশাপাশি চীনে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বেড়েছে। আরও অনেক দেশও চীনের পথ অনুসরণ করে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।</p>
<p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গতকাল রোববার বলেছেন, কাতারের সঙ্গে পরামর্শ অব্যাহত রাখতেই এই আলোচনা চলছে। এতে অগ্রগতিও হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরান প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি—উভয় পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত বন্ধে কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তবে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও যুদ্ধের অবসান নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে তেলের বাজারে দুই ধরনের পরিস্থিতিই বিবেচনায় রয়েছে। একদিকে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা, অন্যদিকে সংঘাত আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা।</p>
<p>তেলের দাম বাড়া-কমার ক্ষেত্রে ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাধারণত এই জোট উৎপাদন বাড়ালে তেলের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিপরীতে উৎপাদন কমালে দাম বাড়তে পারে। তবে তেলের দাম শুধু উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে না। চাহিদা, মজুত, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি, পরিবহন ব্যয় এবং ডলারের বিনিময়মূল্যও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যেও ডিসেম্বর মাসে তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রেখেছে ওপেক প্লাস। গতকাল সৌদি আরব, রাশিয়াসহ জোটের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদেশের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় উৎপাদন বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে জোটটি। আগামী ২৯ নভেম্বর ওপেক প্লাসের পরবর্তী বৈঠকে ২০২৭ সালের উৎপাদন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14196/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পোশাকশিল্পের অস্থিরতা: মালিকপক্ষের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক</title>
		<link>https://www.muktibani.com/14194</link>
		<comments>https://www.muktibani.com/14194#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 02 Nov 2026 06:29:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>monir</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ন্যূনতম মজুরি]]></category>

		<category><![CDATA[পোশাকশিল্পের অস্থিরতা]]></category>

		<category><![CDATA[বিজিএমইএ]]></category>

		<category><![CDATA[সালাহউদ্দিন আহমদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.muktibani.com/14194</guid>
		<description><![CDATA[মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://muktibani.com/cloud/archives/2026/11/aise-0ccc10-thumbnail.jpg" alt="পোশাকশিল্পের অস্থিরতা: মালিকপক্ষের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক" /></p>
<p><strong>পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতা নিরসনে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।</strong></p>
<p>বৈঠকে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও বৈঠকে অংশ নেন।</p>
<p>শ্রমিকদের আন্দোলন এবং পোশাক কারখানায় বিরাজমান অস্থিরতা নিরসনে রবিবার (১ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে সোমবার শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে ছয় সদস্যের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়।</p>
<p>শ্রমিকদের দাবি, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। এ দাবিতে ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন এলাকা এবং রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে আন্দোলন চলছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.muktibani.com/14194/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
