“নতুন প্রজন্মের হাতে বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব: এহসানুল মাহবুব জুবায়ের”

ডেক্স রিপোর্টঃ

শিল্পকলা একাডেমীর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, “অর্ধশতাব্দী ধরে সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। আমরা অনেক নেতা পেয়েছি, কিন্তু দায়িত্ব পেয়েই তারা প্রমাণ করেছেন, তারা এটার জন্য যোগ্য ছিলেন না। শেখ মুজিবুর রহমানকে গণতন্ত্রের মূর্তিমান বলা হতো, কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে তিনি স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছেন। তার মেয়ে শেখ হাসিনাও একই পথে হেঁটেছেন—বাবা-মেয়ে মিলে যৌথ চ্যাম্পিয়ান!”   

ছবি মুক্তিবাণী

তিনি ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জোরালো ভাষায় বলেন, “আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের মতো তরুণরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে রক্ত দিয়েছেন, তা গড়ার দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের। তোমাদের মেধা ও সামর্থ্যকে দেশ ও উম্মাহর সেবায় নিয়োজিত করতে হবে। শুধু নামাজ পড়লেই ভালো মানুষ হওয়া যায় না—চরিত্র, লেনদেন ও সামগ্রিক জীবন দিয়ে তা প্রমাণ করতে হবে।”   

ছবি মুক্তিবাণী

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে জিপিএ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিজেকে জানা ও লক্ষ্য স্থির করতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। মেহরীনের মতো শিক্ষকরা আজও আছেন, যারা সমাজ বদলের অগ্রদূত। এই দেশে যেন আর হাসিনাদের জন্ম না হয়, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”

ছবি মুক্তিবাণী

ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহর সভাপতি তারেক আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শাবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি তারেক মনোয়ার, জামায়াত নেতা ইঞ্জিনিয়ার এম শাহেদ আলী প্রমুখ। সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জেলার ৪০০ জিপিএ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সম্মাননা জানানো হয়।

ছবি মুক্তিবাণী

প্রাসঙ্গিক তথ্য: • এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি শরীয়াহভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে সোচ্চার কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।

• তার এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নেতৃত্বের সংকট এবং নতুন প্রজন্মের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ ধরনের বক্তব্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে তরুণ সমাজকে দেশ গঠনে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।

• ইসলামী ছাত্রশিবিরের এই অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জানানো হয়, যা সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সংগঠনের ভূমিকাকে তুলে ধরে।

মুক্তিবাণী

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে

সর্বশেষ আপডেট

ভিডিও