“ধারালো দা দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত, পেটে ৫ সেলাই… তবুও মেডিকেল রিপোর্টে ‘সাধারণ আঘাত’! প্রভাবশালীদের চাপে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত—দিলোয়ারা বেগমের সাহসী মুখ খোলা”
![]()
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রভাবশালী জিলাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মিথ্যা মেডিকেল রিপোর্ট তৈরির অভিযোগ এনেছেন নির্যাতিতা দিলোয়ারা বেগম (৩০)। গত ১ জুলাই ২০২৩ তারিখে জিলাল মিয়ার পুত্র তয়াহিদ মিয়া ও শাহিদ মিয়া ধারালো দা ও লোহার রড দিয়ে দিলোয়ারার স্বামী সুরুজ মিয়াকে নির্মমভাবে প্রহার করে। গুরুতর জখমী অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, প্রভাব খাটিয়ে মেডিকেল রিপোর্টে “ভোঁতা অস্ত্রে সাধারণ আঘাত” দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
![]()
দিলোয়ারা বেগম ২৬ মে সোমবার মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমার স্বামীর মাথায় ৫ সেলাই, পেটে ছুরিকাঘাত—এসব কি সাধারণ আঘাত? তদন্তে গড়িমসি, আসামীরা আমাদের হুমকি দিচ্ছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই।”
মামলাটির তদন্ত পিবিআই ও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে থাকলেও, প্রভাবশালী চক্রের হস্তক্ষেপে ন্যায়বিচার পেতে হিমশিম খাচ্ছে এই অসহায় পরিবার। দিলোয়ারা বেগমের আকুল আবেদন: “সাংবাদিক ভাইয়েরা, আমাদের কথা বলুন। প্রশাসন, পুলিশ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হস্তক্ষেপ চাই।”
• ধারালো দা ও লোহার রড দিয়ে কৃষক সুরুজ মিয়াকে হত্যাচেষ্টা।
• মেডিকেল রিপোর্টে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকৃত জখম লুকানোর অভিযোগ।
• পিবিআই তদন্তে “আংশিক সত্য” স্বীকার, কিন্তু আসামীদের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
• নির্যাতিত পরিবারকে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতায় জীবনযাপন।
১. মামলাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত।
২. মিথ্যা মেডিকেল রিপোর্ট সংশোধন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের শাস্তি।
৩. পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ।
“আমরা গরিব, কিন্তু মাথা নত করবো না। ন্যায়বিচার না পেলে আন্দোলনে যাবো,” বলেছেন দিলোয়ারা বেগম।










পাঠকের মন্তব্য