মৌলভীবাজার, ১৭ মে ২০২৬: ‘আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশে ঘরে ঢুকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। মাথা বাঁচাতে হাতের কবজিতে আঘাতে হাড়সহ রগ কেটে যায়, ৩০টি সেলাই ও ৮টি রগ প্রতিস্থাপন করতে হয়। পিঠে বটি দা’র আঘাত, পরনের কাপড় ছিঁড়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি। আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার হাতের কনুইয়ের নিচেও লাগে ২০টি সেলাই।’ অসহায় দিনমজুর শেখ ছালামের কণ্ঠে আজ সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে নারকীয় এক নির্যাতনের চিত্র।
![]()
গত ২২ এপ্রিল সকালে হামরকোনা গ্রামের পুকুরঘাটে কাজ করছিলেন শেখ ছালামের প্রতিবন্ধী কন্যা সালমা আক্তার (১৭)। অভিযোগ, প্রতিবেশী শেখ জুয়েলের স্ত্রী আখি বেগম ও শাশুড়ি খয়রুন নেছা তাকে অশ্লীল গালি দিলে প্রতিবাদ করতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো দা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন শেখ জুয়েল। তাঁর সহযোগী আক্কাছ মিয়াও লাঠি-দা নিয়ে হামলা চালান। সালমা ও তার বাবা শেখ ছালাম গুরুতর আহত হন।
![]()
শেখ ছালাম ২৫০ শয্যা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ও তাঁর মেয়ে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু মৌলভীবাজার মডেল থানা কোনো মামলা নেয়নি। বাধ্য হয়ে গত ৩০ এপ্রিল শেখ ছালাম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে (সিআর মামলা নং-৩০৫/২০২৬) নালিশ করলে আদালত মামলা আমলে নিয়ে এফআইআর করতে থানাকে নির্দেশ দেন। ১ মে মামলা নং-০৪/১২৬ রুজু হলেও আজ পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।
![]()
উল্টো, সন্ত্রাসী শেখ জুয়েলের মা খয়রুন নেছা থানায় একটি মামলা (জিআর ১২৫/২০২৬) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুয়া তারিখ (৩ মে) উল্লেখ করে শেখ ছালামসহ তাঁর পরিবারের ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা (নং-১১৫/২৬) দায়ের করেছেন। শেখ ছালাম বলেন, ‘জুয়েল ও তার লোকজন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। হাসপাতাল থেকে আমরা নিজ বাড়ি না গিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আছি।’
![]()
‘আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে আজও ঘাতকের দার ভয়ে কাঁপে, অস্ত্রোপচারের দাগ বুকে নিয়ে থানার পথে বিচার পায়নি। অথচ যেই সন্ত্রাসী মেয়েকে দা দিয়ে কুপিয়ে রগ কেটে দিয়েছে, সেই ব্যক্তির মা থানায় গেলে মামলা রুজু হয়, আর আদালতের নির্দেশে এফআইআর হওয়ার পরও পুলিশ নীরব! আমি জিজ্ঞেস করি, অসহায় দিনমজুরের চোখের পানি কি এ দেশের আইনের চোখে জল নয়? আদালতের আদেশকে তুচ্ছ করে পুলিশ কেন বিচার দিতে ব্যর্থ? নাকি সন্ত্রাসীদের তোষামোদ করাই থানার দায়িত্ব? আমি দাবি করছি, দেরি না করে শেখ জুয়েল ও তার সহযোগীদের তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করুন। যদি রাষ্ট্র আমাকে আর আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সন্ত্রাসীরা যেদিন ফের দা হাতে আমাদের বাড়িতে আসবে, সেদিন এই লিখিত বক্তব্য হাতের কাছে রাখবেন—কে দায়ী ছিল তা পৃথিবী জানবে।’মৌলভীবাজার, ১৭ মে ২০২৬: ‘আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশে ঘরে ঢুকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। মাথা বাঁচাতে হাতের কবজিতে আঘাতে হাড়সহ রগ কেটে যায়, ৩০টি সেলাই ও ৮টি রগ প্রতিস্থাপন করতে হয়। পিঠে বটি দা’র আঘাত, পরনের কাপড় ছিঁড়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি। আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার হাতের কনুইয়ের নিচেও লাগে ২০টি সেলাই।’ অসহায় দিনমজুর শেখ ছালামের কণ্ঠে আজ সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে নারকীয় এক নির্যাতনের চিত্র।
গত ২২ এপ্রিল সকালে হামরকোনা গ্রামের পুকুরঘাটে কাজ করছিলেন শেখ ছালামের প্রতিবন্ধী কন্যা সালমা আক্তার (১৭)। অভিযোগ, প্রতিবেশী শেখ জুয়েলের স্ত্রী আখি বেগম ও শাশুড়ি খয়রুন নেছা তাকে অশ্লীল গালি দিলে প্রতিবাদ করতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো দা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন শেখ জুয়েল। তাঁর সহযোগী আক্কাছ মিয়াও লাঠি-দা নিয়ে হামলা চালান। সালমা ও তার বাবা শেখ ছালাম গুরুতর আহত হন।
শেখ ছালাম ২৫০ শয্যা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ও তাঁর মেয়ে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু মৌলভীবাজার মডেল থানা কোনো মামলা নেয়নি। বাধ্য হয়ে গত ৩০ এপ্রিল শেখ ছালাম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে (সিআর মামলা নং-৩০৫/২০২৬) নালিশ করলে আদালত মামলা আমলে নিয়ে এফআইআর করতে থানাকে নির্দেশ দেন। ১ মে মামলা নং-০৪/১২৬ রুজু হলেও আজ পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।
উল্টো, সন্ত্রাসী শেখ জুয়েলের মা খয়রুন নেছা থানায় একটি মামলা (জিআর ১২৫/২০২৬) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুয়া তারিখ (৩ মে) উল্লেখ করে শেখ ছালামসহ তাঁর পরিবারের ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা (নং-১১৫/২৬) দায়ের করেছেন। শেখ ছালাম বলেন, ‘জুয়েল ও তার লোকজন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। হাসপাতাল থেকে আমরা নিজ বাড়ি না গিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আছি।’
‘আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে আজও ঘাতকের দার ভয়ে কাঁপে, অস্ত্রোপচারের দাগ বুকে নিয়ে থানার পথে বিচার পায়নি। অথচ যেই সন্ত্রাসী মেয়েকে দা দিয়ে কুপিয়ে রগ কেটে দিয়েছে, সেই ব্যক্তির মা থানায় গেলে মামলা রুজু হয়, আর আদালতের নির্দেশে এফআইআর হওয়ার পরও পুলিশ নীরব! আমি জিজ্ঞেস করি, অসহায় দিনমজুরের চোখের পানি কি এ দেশের আইনের চোখে জল নয়? আদালতের আদেশকে তুচ্ছ করে পুলিশ কেন বিচার দিতে ব্যর্থ? নাকি সন্ত্রাসীদের তোষামোদ করাই থানার দায়িত্ব? আমি দাবি করছি, দেরি না করে শেখ জুয়েল ও তার সহযোগীদের তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করুন। যদি রাষ্ট্র আমাকে আর আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সন্ত্রাসীরা যেদিন ফের দা হাতে আমাদের বাড়িতে আসবে, সেদিন এই লিখিত বক্তব্য হাতের কাছে রাখবেন—কে দায়ী ছিল তা পৃথিবী জানবে।’











পাঠকের মন্তব্য