স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে এক বৈঠকের পর রবিবার (২৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে। এতে দুই অর্থনৈতিক মহাশক্তির মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য উত্তেজনার অবসান ঘটল।
![]()
চুক্তির মূল বিষয়গুলো:
১. শুল্ক প্রত্যাহার: ইইউভুক্ত ২৭টি দেশের পণ্য (যানবাহন, ফার্মাসিউটিক্যালস, সেমিকন্ডাক্টর) মার্কিন বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
২. জ্বালানি রপ্তানি: ইইউ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৭৫ হাজার কোটি ডলারের (৭৫০ বিলিয়ন) জ্বালানি ক্রয়ে সম্মত হয়েছে।
৩. মার্কিন বিনিয়োগ: ইইউ যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত ৬০ হাজার কোটি ডলার (৬০০ বিলিয়ন) বিনিয়োগ করবে।
৪. সামরিক সরঞ্জাম: ইইউ দেশগুলো “বৃহৎ পরিমাণে” মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।
নেতাদের বক্তব্য:
- ট্রাম্প: “এটি ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য চুক্তি। ইইউ সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশ করবে।”
- ইইউ প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লেয়েন: “এ চুক্তি বৈশ্বিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা ও অনুমানযোগ্যতা আনবে।”
পটভূমি: গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ পণ্যে ১৫% শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছিল। এ চুক্তির মাধ্যমে সেই সংকট কাটিয়ে উঠল দুই পক্ষ। যদিও চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলী এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিক্রিয়া: ইউরোপীয় নেতারা এ অগ্রগতিকে “ইতিবাচক” আখ্যা দিয়েছেন। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে।
> পরবর্তী ধাপ: উভয় পক্ষ আগামী সপ্তাহে চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া চূড়ান্ত করবে বলে জানিয়েছে।










পাঠকের মন্তব্য