বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মোঃ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, শত শহীদের রক্তে রঞ্জিত এ কাফেলাকে সামনে এগিয়ে নিতে সাবেক দায়িত্বশীলদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিগত জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জনগোষ্ঠী ইসলামের পক্ষে তাদের সমর্থন জানিয়েছে। নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে তাদের সংগঠনের প্রতি সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।
৯মে (শনিবার) ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য ও সদস্য প্রার্থীদের প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির আলোচনায় তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহেদ আলীর সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মোঃ ইয়ামীর আলীর উপস্থাপনায় প্রাণবন্ত এই প্রীতি সমাবেশে দারসুল কুরআন পেশ করেন সংগঠনের জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য ও পৌরআমীর হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম। সংগঠনের নিকট সাবেক ভাইদের প্রত্যাশা বিষয়ে ডেলিগেট ভাইদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আলী আজম, খালেদ আহমদ, তারেক আজিজ, মাসুমুর রহমান, সেলিম মুহাম্মদ, মাইনুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ দেওয়ান আশফাক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ। প্রেরণামূলক ইসলামী সংগীত পরিবেশনা করেন জুনেদ আহমদ ফাহিম।
প্রধান অতিথি ছাত্রশিবিরকে নেতৃত্ব তৈরীর কারখানা উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘ ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গড়ে ওঠা নেতৃত্বকে বৃহত্তর ময়দানে আল্লাহর দেয়া যোগ্যতাকে পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে হবে। নিজেদেরকে শপথের কর্মী হিসেবে আন্দোলনের নিকট পেশ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহেদ আলী বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর সম্ভাবনাময় নতুন বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণে সাবেক ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও আহ্বান জানান, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সংগঠনকে গতিশীল করতে সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে—কারণ এ দেশের গণমানুষের ভরসা এখন শুধু ইসলামী আন্দোলনই পারে পূরণ করতে। কোনো বিকল্প পথ নেই, ক্ষিপ্রতার সঙ্গে নেতৃত্বের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে সব শপথবদ্ধ কর্মীকে।










পাঠকের মন্তব্য