![]()
এগিয়ে গিয়েও শেষ হাসিটা হাসা হয়নি ইংল্যান্ডের। বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে হতাশ ইংল্যান্ড শিবির। দলীয় অধিনায়ক হ্যারি কেইনের মতে, ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার মুহুর্মুহু আক্রমণে এলোমেলো হয়ে পড়ে তাদের রক্ষণ।
আতালান্তা স্টেডিয়ামে বুধবার ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা।
অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ১৯৬৬ সালের শিরোপা জয়ের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু লিওনেল মেসির অনুপ্রেরণায় ম্যাচে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা।
![]()
মেসির পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান এনজো ফের্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে লাওতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোলটি করেন।
ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেইন ম্যাচ শেষে বিবিসিকে বলেন, “গোল হজমের পর হয়তো তারা আরও বেশি খেলোয়াড় নিয়ে আক্রমণে উঠেছিল, কিংবা আমরা একজনের বিপরীতে একজনকে সামাল দিতে পারিনি। এরপর একের পর এক আক্রমণে আমরা এলোমেলো হয়ে পড়েছিলাম। ছেলেরা নিজেদের শরীর দিয়ে শট আটকে দিয়েছে, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট ছিল না।”
![]()
টুর্নামেন্টে ছয় গোল করা বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড বলেন, গর্ডনের গোলের পর আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণ সামাল দিতে হিমশিম খেয়েছে ইংল্যান্ড। কেইন জানান, গর্ডনের গোলের পর শুধু রক্ষণ সামলানোর পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের ছিল না।
“আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর দলের বার্তা ছিল আবার আক্রমণে যাওয়া এবং আরেকটি গোল করার চেষ্টা করা। কিন্তু তারা যখন দুই গোল করে ফেলল, তখন আমরা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গতি ও নিয়ন্ত্রণ কোনটাই আর ফিরে পাইনি।”
কেইন বলেন, “ছেলেদের জন্য খুব কষ্ট লাগছে, সবার জন্যই কষ্ট লাগছে- দল, কোচিং স্টাফ, সমর্থক- সবার জন্য।”
![]()
তিনি বলেন, “ম্যাচের বেশিরভাগ সময় আমরা ভালো খেলেছি। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর মনে হলো আমরা শুধু সেই লিড ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই পর্যায়ে সেটা যথেষ্ট নয়। খুবই হতাশ লাগছে, কারণ এখানে পৌঁছাতে আমরা ভীষণ পরিশ্রম করেছি। ছেলেরা নিজেদের শেষ শক্তিটুকুও উজাড় করে দিয়েছে।”
রোববারের ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন।
![]()
![]()
![]()
![]()










