মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোঃ ইসরাইল হোসেনের নির্দেশনায় চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা এলাকায় তৎপরতা কমিয়ে আনতে শুরু করেছে।
![]()
বুধবার (২৭ আগস্ট) শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের গোপলাছড়া বালুমহালের তফসিলভুক্ত এলাকা পরিদর্শন করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মহিবুল্লাহ আকন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় চলমান এই তদন্তে উপস্থিত ইজারাদারকে বালুমহালের তফসিল বহির্ভূত এলাকা এবং মতিগঞ্জ ব্রিজের আশেপাশের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। তাকে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ মেনে কঠোরভাবে বালু উত্তোলন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং আইন ভঙ্গ করলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
একইভাবে, গত মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে একই কর্মকর্তার নেতৃত্বে সিন্দুরখান ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে উপজেলার অর্পিত বালুমহাল গুলোতে অনুসন্ধান চালিয়ে আনুমানিক ৫০০ ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়েছে। অভিযানটি সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিমের উপস্থিতিতে সফলভাবে পরিচালিত হয়।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ ইসলাম উদ্দিন অবৈধ বালু উত্তোলন বিষয়ে তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নদী, পরিবেশ-প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষিজমি সুরক্ষার স্বার্থে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ মেনে চলার জন্য শ্রীমঙ্গলের জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
ইউএনও আরও জানান, এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধে নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।













পাঠকের মন্তব্য