মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা অমান্য করে নামের আগে ‘ডাঃ’ উপাধি ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ফরিদা পারভীন। পয়লা ইউনিয়নের তেরশ্রী বাজারের কাছে ‘মা-বাবার দোয়া ফার্মেসি এন্ড মেডিক্যাল সেন্টারে’ তিনি নিজেকে এমবিবিএস ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে রোগীদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
![]()
গত বছরের হাইকোর্টের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, শুধুমাত্র এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারীরাই নামের আগে ‘ডাঃ’ ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু ফরিদা পারভীন এই আদেশকে তোয়াক্কা না করে তার সাইনবোর্ড, প্রেসক্রিপশন প্যাডে ‘ডাঃ’ লিখে প্রতিনিয়ত রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তিনি অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশনসহ নানা ধরনের ওষুধ লিখে দেন, যা তার যোগ্যতার বাইরে।
![]()
একজন রোগী বলেন, “জ্বর নিয়ে গিয়েছিলাম, ওষুধ লিখে ২ হাজার টাকা নিলেন! পরে বুঝলাম, সব ওষুধই তার ফার্মেসিতে পাওয়া যায়!”
যখন ফরিদা পারভীনকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি উদ্ধতভাবে বলেন, “সরকার আমাকে অনুমতি দিয়েছে, আমি ডাক্তার লিখবোই!”

ঘিওর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ হাসিব আহসান বলেন, ”এটি সম্পূর্ণ অবৈধ। হাইকোর্টের আদেশ লঙ্ঘনের শাস্তি রয়েছে। প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রশ্ন উঠছে:
- কারা এই ফরিদা পারভীনকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন?
- কতজন অসহায় রোগী তার হাতে প্রতারিত হচ্ছেন?
- কবে নাগাত বন্ধ হবে এই অবৈধ চিকিৎসার মহোৎসব?
স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সাধারণ মানুষ।














পাঠকের মন্তব্য