![]()
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের লন্ডন হাইকমিশনকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর, অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে মিশনটি। এসব প্রচারে হাইকমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশন জানায়, বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের নিজস্ব ওয়েব পোর্টাল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত রয়েছে। পোর্টালটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিসা-সংক্রান্ত সার্ভার ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হয়। ফলে এসব সার্ভারের পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ বা হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
এ কারণে সার্ভার-সংক্রান্ত কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা বা কার্যক্রমের জন্য হাইকমিশনকে দায়ী করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা সমীচীন নয়। ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য যথাযথভাবে জমা দিলে যত দ্রুত সম্ভব সেবা নিশ্চিত করতে হাইকমিশন সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়।
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কনস্যুলারসহ অন্যান্য সেবা প্রদানে বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। প্রবাসীদের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখা, তাঁদের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা করা এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মিশনটি সর্বদা সচেষ্ট। এ লক্ষ্যে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হাইকমিশন।
হাইকমিশনের কার্যক্রম নিয়ে কোনো তথ্য, অভিযোগ বা সংশয় দেখা দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ওপর নির্ভর না করে মিশনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে প্রকৃত তথ্য যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে সরাসরি হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।









