ভারতের সিদ্ধান্ত লাখো মানুষের জীবন কঠিন করে তুলেছে : ট্রুডো

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত
মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স :

ভারতের সিদ্ধান্তে কানাডীয় কূটনীতিকদের দিল্লি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার কারণে উভয় দেশের লাখ লাখ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

এ মাসের শুরুর দিকে ভারত কানাডার কূটনীতিকদের সে দেশ ছেড়ে যেতে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দেয়। ওই সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের আর কূটনৈতিক নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার করে। গত বৃহস্পতিবার ভারত থেকে নিজেদের ৪১ কূটনীতিক এবং তাদের পরিবারের সদ্যদের চলে যাওয়ার খবর জানায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরদিন ওন্টারিওতে টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, “ভারত সরকার সেদেশ এবং কানাডার লাখ লাখ মানুষের জন্য স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালিয়ে যাওয়াকে অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন করে তুলছে।

এবং তারা কূটনীতির খুবই মৌলিক একটি নীতি লঙ্ঘন করে এ কাজ করছে। “এটা এমন কিছু যেটা আমাকে আমাদের ওইসব লাখ লাখ কানাডীয়র মঙ্গল ও সুখ নিয়ে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে যারা ভারতীয় উপমহাদেশে নিজেদের উৎস খুঁজতে যান।” ভারত থেকে বেশিরভাগ কানাডীয় কূটনীতিক দেশে ফিরে যাওয়ায় দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হবে এবং ভারতীয় শিক্ষার্থীদের কানাডা যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলেও মনে করেন ট্রুডো। ভারতে এখনো কানাডার ২১ কূটনীতিক রয়েছেন এবং তাদের দ্বারা সীমিত পরিসরে দিল্লিতে দূতাবাস পরিষেবা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বন্ধ হয়ে গেছে ব্যাঙ্গালুরু, মুম্বাই ও চন্ডিগড়ে কানাডার কনস্যুলেটের ‘ইন-পারসন’ কার্যক্রম।

ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো যা আগে থেকেই তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল সেগুলোও খোলা থাকবে। প্রায় ২০ লাখ কানাডীয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ। এছাড়াও ভারত থেকেই সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী কানাডায় পড়তে যায়। ওন্টারিও টিভি।

সর্বশেষ আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০২:১৯
মুক্তিবাণী

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে

সর্বশেষ আপডেট

ভিডিও