![]()
খুলনার বাবু খান রোডে সন্ধানী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ হামলায় ক্লিনিকের কয়েকটি কক্ষ ও বিলিং সেকশনের কাচ ভাঙচুর করা হয়। গুলির শব্দে রোগী, তাঁদের স্বজন ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে, নগরীর টুটপাড়া ও তেরখাদার মধুপুরে পৃথক ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত দুজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাবু খান রোডে অবস্থিত সন্ধানী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। তারা কয়েকজন চিকিৎসকের কক্ষ ও বিলিং সেকশনের কাচ ভেঙে ফেলে। এ সময় এক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে আতঙ্কিত হয়ে রোগী, তাঁদের স্বজন ও পথচারীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এ হামলা ও ভাঙচুরের কারণ জানা যায়নি।
![]()
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর টুটপাড়া গাছতলা মন্দির এলাকায় আকাশ কুন্ডু (৪৫) নামে এক দোকানিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি মন্দিরের গেটে একটি দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তাঁর পেটে একটি গুলি লাগে। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অন্যদিকে, শনিবার দুপুরে তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. রামীম বিশ্বাসকে (৩২) গুলি করে দুর্বৃত্তরা। সেনেরবাজার-মধুপুর সড়কের পারহাজী গ্রামে খান ব্রিকসের কাছে এ ঘটনা ঘটে। রামীম ওই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় রামীম খান ব্রিকসের কাছে একটি ভ্যানে বসে ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তাঁর পিঠে বিদ্ধ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মেদ আলী বিশ্বাস বলেন, রামীম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।









