![]()
স্কুলপড়ুয়াদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়ার বিষয়ে বরাবরই আপত্তি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছিলেন, এ ধরনের কথা বললে তাঁর ভোট কমতে পারে। তবে ছোটদের হাতে মোবাইল দেওয়া বিপজ্জনক বলে মনে করেন তিনি। একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের মোবাইল কেনার জন্য অর্থ দেওয়ার পরিবর্তে শিক্ষামূলক ট্যাব দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে শনিবার এক খুদের আবদারে নিজস্বী তুললেন তিনি। পাশাপাশি কিশোরকে মনে করিয়ে দিলেন, এই বয়সে তার হাতে মোবাইলের বদলে বই থাকা উচিত।
> উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন বিকাশ ভট্টাচার্য। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী। বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাইকে ওঠার সময়ই তাঁর কাছে ছুটে আসে এক খুদে।
শনিবার রাত ৮টা নাগাদ হাওড়ার সালকিয়ার কামিনী স্কুল লেনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দা বিকাশ ভট্টাচার্য। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী। কিছুক্ষণ পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাইকে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময় এলাকার এক খুদে তাঁর কাছে ছুটে এসে নিজস্বী তোলার আবদার করে।
ছেলেটির নাম জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। সে জানায়, তার নাম রাজদীপ পাল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী তাকে মোবাইল ব্যবহার না করে মন দিয়ে পড়াশোনা করার পরামর্শ দেন। এমন কথায় খানিকটা হকচকিয়ে যায় কিশোর, লজ্জাও পায়। তবে তার আবদারও রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। ছোট্ট রাজদীপকে জড়িয়ে ধরে নিজস্বী তোলেন তিনি। এরপর তাকে আদর করে বাইকে উঠে পড়েন।
সালকিয়ার স্বজনহারা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ায় খুশি মৃত বিকাশের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের বাড়িতে পৌঁছতে মূল রাস্তা থেকে সরু গলিতে ঢুকতে হয়। সে কারণে জিটি রোড থেকেই বাইকের পিছনের আসনে বসে সেখানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাইক চালাচ্ছিলেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই।









