নিখোঁজ দুই শিশুকে ঘিরে উদ্বেগ, উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নিখোঁজ দুই শিশুকে ঘিরে উদ্বেগ, উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
নিখোঁজ দুই শিশুকে ঘিরে উদ্বেগ, উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স

নিখোঁজ দুই শিশুকে ঘিরে উদ্বেগ, উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

“আমার যদি সহায়-সম্পত্তি সব লাগে, তাও দিতে রাজি। আমি ভিক্ষা করে খাব, তাও আমার বাচ্চাকে আমি ফেরত চাই, আমার চোখের মনিকে আমি ফিরিয়ে চাই। আমি আর কিছু চাই না…” হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে উদ্ধারের আকুতি জানিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথা বলছিলেন নিখোঁজ শিশু হাবিবুল্লাহ নাঈমের মা শরিফা খাতুন।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার খিলক্ষেতের ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি নাঈম।

রাজধানীর কুর্মিটোলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র হাবিবুল্লাহ নাঈমকে মরিয়া হয়ে খুঁজছেন তার মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজন। তারা থানা, পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারে দ্বারে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে কাজ করা প্ল্যাটফর্ম ‘মুন এলার্ট’-এও নাঈমকে উদ্ধারে সহায়তা চেয়ে একটি পোস্ট করা হয়, যা অনেকে শেয়ার করছেন।

নিখোঁজ নাঈমের সঙ্গে একটি সেলফোন রয়েছে। সেই নম্বর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ফোন করে অর্থ দাবি করেছে বলেও জানিয়েছে তার পরিবার।

টাকা দাবি করার কারণে ছেলের নিরাপত্তা নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় থাকার কথা জানিয়েছেন নাঈমের পরিবার ও স্বজনরা।

থানায় নিখোঁজের জিডি করার পর পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যারা টাকা দাবি করেছে তাদের সন্ধান করা হচ্ছে। তবে যে নম্বর থেকে ফোন এসেছে, সেটির অবস্থান শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, নাঈমকে খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে পরিবারের অভিযোগ, শিশু নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা না পেরোনোর কথা বলে শুরুতে জিডি নিতে চায়নি পুলিশ।

তাদের প্রশ্ন, ছেলের মোবাইল নম্বর থেকে যেহেতু ফোন এসেছে, সেটি শনাক্ত করা যাচ্ছে না কেন? এটি সরকারের সক্ষমতার ঘাটতি নাকি অবহেলা—সেই প্রশ্নও তুলেছে পরিবার।

ছয় মাস ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র

ঢাকার দক্ষিণখান এলাকার নিজ বাসা থেকে নামাজ পড়তে বের হয়ে আর ফেরেনি আরাফাত হোসেন রিয়াদ। ১৩ বছর বয়সী রিয়াদ চলতি বছরের ২৮ মার্চ থেকে নিখোঁজ।

পরিবার বলছে, গত ছয় মাসে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় হন্যে হয়ে রিয়াদকে খুঁজে বেড়াচ্ছে তারা। ছেলের সন্ধানে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন রিয়াদের বাবা আনোয়ার হোসেন।

ছেলে জীবিত নাকি মৃত, কোথায় আছে, আদৌ বেঁচে আছে কি না—এসব নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। নিখোঁজ রিয়াদের বাবা আনোয়ার হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, যে জায়গায় যান, সেখানেই তাকে খোঁজেন।

“এই কষ্ট বলার মতো না ভাই। সবখানে গেছি। দিনাজপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রামেও গিয়েছি ছেলের জন্য। একটা ছেলে মারা গেলেও সান্ত্বনা দেওয়া যায়, কিন্তু যখন হারিয়ে যায়, তার কষ্ট মেনে নেওয়া কঠিন। ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। সে কী খাচ্ছে, কোথায় থাকছে—এগুলো যখন ফিল করি, এই কষ্ট বলে বোঝানো যাবে না।”

রিয়াদের পরিবার বলছে, দক্ষিণখান থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আপত্তি করেনি, কিন্তু ছেলেকে খুঁজে বের করতে চেষ্টার ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

এলাকার বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়ে তদন্ত করলে তার ছেলে কারও সঙ্গে গিয়েছে কি না বা কোন দিকে গিয়েছে, তা বের করা সম্ভব ছিল বলে উল্লেখ করে আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ তদন্ত করতে তার এলাকায় কখনোই যায়নি।

সম্প্রতি দক্ষিণখান থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করার কথাও জানান আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, নতুন যোগ দেওয়া অফিসার ইনচার্জ জানান, তার ছেলের নিখোঁজের বিষয়টি তিনি জানেনই না।

পরে জিডির একটি কপি সংগ্রহ করে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন ওসি।

শিশু নিখোঁজ ঘিরে উদ্বেগ

হারানো শিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুন এলার্ট জানায়, গত দুই সপ্তাহে হারিয়ে যাওয়ার পর পাঁচটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসেবে, বাংলাদেশে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের অন্তত ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তরের হিসেবে, গত ছয় মাসে হারিয়ে যাওয়া ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশুর মধ্যে দুই হাজার ৩৮টির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এসব শিশুর পরিবার মাসের পর মাস সন্তানের খোঁজে ঘুরছে।

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি মাসে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার শিশু নিখোঁজের জিডি হয়। তবে এর মধ্যে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ শিশু উদ্ধার হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি বা জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ৭১৭টি। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৮টি শিশু উদ্ধার হয়নি। তাদের মধ্যে ৬৮টি শিশুর বয়স শূন্য থেকে নয় বছর; আর ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা এক হাজার ৯৭০।

মুন এলার্ট সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা সাদাত রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত চেষ্টা, সতর্কতা এবং সরকারের বিশেষ তৎপরতা জরুরি।

“এত যে বাচ্চা নিখোঁজ হয়, এটা প্রত্যেকটা দেশে একই চিত্র। বেশিরভাগ বাচ্চা উদ্ধার হয়। কারণ এ বাচ্চাগুলো পড়াশোনার চাপে, অথবা বাবা-মায়ের সঙ্গে রাগ করে বা ভয়ে-আতঙ্কে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হয়তো দুই-তিন দিন বা এক সপ্তাহ পরে পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের কাজ করতে হবে ওই ১০ পার্সেন্ট বা ১৩ পার্সেন্ট যে বাচ্চাগুলোর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না তাদের নিয়ে।”

“এখন থানা পুলিশ চিন্তা করে যে পাঁচটা বাচ্চা তো নিখোঁজ হয়েছিল, চলে এসেছে; এ বাচ্চাও মনে হয় তাই। এজন্য তারা জিডি নিতে চায় না। আমরা এরকম দেখেছি যে ২৪ ঘণ্টায় জিডি নেয়নি, ৪৮ ঘণ্টায় ডেডবডি উদ্ধার হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিশাতের।”

বাংলাদেশে নিখোঁজ শিশুদের অনেককে অপহরণ ও পাচারের শিকার হতে, এমনকি অপরাধচক্রের টার্গেট হতেও দেখা যায়। এ কারণে বলা হচ্ছে, শিশুদের নিয়ে পরিবারকে যেমন সতর্ক ও সাবধান হতে হবে, তেমনি হারানো শিশু উদ্ধারে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিও জরুরি।

সাদাত রহমান বলেন, “শিশু উদ্ধারে একটা বিশেষ ইউনিট গঠন করলে আমরা মিসিং বাচ্চাদের দ্রুত খুঁজে বের করতে পারব।”

শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ‘জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশন’-এরও প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, সারা বিশ্বেই শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধারে অ্যালার্ট সিস্টেম থাকে, বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

“আমরা গত ১১ দিনে যে কয়টা অ্যালার্ট দিয়েছিলাম, এর মধ্যে পাঁচটা শিশু মারা গিয়েছে। এর মধ্যে তিনটা ছেলে, দুইটা মেয়ে। যেগুলো হয়তো যদি পুলিশের স্পেশালাইজড কোনো টিম থাকত, তাহলে দ্রুত উদ্ধার করা যেত।”

“আমরা এখন ভয় পাই। আমরা যখন একটা অ্যালার্ট ইস্যু করি, তখন ভয়ে থাকি যে আসলেই শিশুটিকে উদ্ধার করা যাবে কি না। সব থেকে বড় কথা, আমরা ফেসবুকে অ্যালার্ট দিচ্ছি, মানুষ শেয়ার দিচ্ছে; কিন্তু পুলিশের যেভাবে কাজ করার কথা, সেভাবে কাজ করছে না।”

পুলিশ কী বলছে

পুলিশ সদরদপ্তরের হিসেবে, বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের একটা ধারাবাহিকতা রয়েছে। প্রতিবছর অনেক শিশুর নিখোঁজের জিডি হয় এবং ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ শিশু উদ্ধার হয়।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, শিশু নিখোঁজ সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি নিরসন এবং অধিকতর স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করেছে।

এতে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছে ৪৭৪টি, উদ্ধার হয়েছে ৪০৬ জন, উদ্ধার হয়নি ৬৮ জন। একই সময়ে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজ হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩ জন, উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার ২৭৩ জন, উদ্ধার হয়নি এক হাজার ৯৭০ জন।

আলোচ্য সময়ে মোট ১৫ হাজার ৭১৭ নিখোঁজ শিশুর মধ্যে উদ্ধার হয়নি দুই হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজের ১৩ শতাংশ।

নিখোঁজ হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা যায়, শূন্য থেকে ৯ বছরের শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে ঘুরতে গিয়ে পথঘাট ভুলে যাওয়া, পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা এবং একাকী বাসায় ফিরতে গিয়ে অন্য স্থানে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে নিখোঁজ হয়।

আবার ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীরা অভিমান করে, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীন জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধা আদায়ের কৌশল, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাব ইত্যাদি কারণে নিখোঁজ হয়।

বাংলাদেশে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের জন্য ২০২৩ সালে নিখোঁজের জিডি হয়েছে ১৭ হাজার ৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬ হাজার ৪১৪টি এবং ২০২৫ সালে ২২ হাজার ৫৫০টি।

শিশু হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশে পুলিশের বিশেষ কোনো ইউনিট নেই, যারা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করতে পারে। এছাড়া নিখোঁজ পরিবারের সদস্যরা জিডি করতে গেলেও থানাভেদে ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা না পেরুলে জিডি নেওয়া হয় না—এমন অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি মিডিয়া অ্যান্ড পিআর এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বিবিসি বাংলাকে বলেন, জিডি গ্রহণ করা না হলেও অনুসন্ধান তৎপরতা রিপোর্টের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়।

“অনেক সময় পারিবারিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা বাচ্চা স্কুল থেকে না ফিরে দাদা বা নানার বাসায় চলে গেছে। জিডি নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি পাওয়া যায়, সে কারণে বলা হয়, আপনি একটু অপেক্ষা করেন, আমরা খোঁজখবর করছি। জিডি একটা প্রক্রিয়ার বিষয়। আর অনলাইনে জিডি সব সময় করা যায়। আশা করি, শিগগিরই শিশু নিখোঁজের জিডি অনলাইনে করতে পারবেন।”

মি. হোসাইন বলছেন, নিখোঁজ শিশুদের জিডি নিষ্পন্নের হার ৯০ শতাংশ। অনেক সময় শিশুরা সম্পর্ক মেনে নিতে না চাওয়ায় জিডিগুলো অনিষ্পন্ন থাকে। তারা সব নিখোঁজ জিডি নিষ্পন্ন করার চেষ্টা করেন। কোনো নিখোঁজ শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হলে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়।

“শতকরা ৯০ ভাগ সব সময়ই আমাদের উদ্ধার থাকে। তারপরেও কিছু শিশু মিসিং থাকে। পরবর্তীতে আমরা সেটা হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করি, যদি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে কখনোই এটা নিষ্পত্তি হয় না। যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়।”

বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি মিডিয়া বলছেন, নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে ভবিষ্যতে আন্তঃবাহিনীর সমন্বয়ে একটি কমান্ড সেন্টার বা কন্ট্রোল সেন্টার তৈরির উদ্যোগ ও পরিকল্পনা রয়েছে।

মুক্তিবাণী

ফেসবুকে

সর্বশেষ আপডেট

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


ভিডিও