হাসিনাকে দিল্লিতে নামার অনুমতি না দিলে কী হতো, জানালেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

হাসিনাকে দিল্লিতে নামার অনুমতি না দিলে কী হতো, জানালেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত
হাসিনাকে দিল্লিতে নামার অনুমতি না দিলে কী হতো, জানালেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত
মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স

হাসিনাকে দিল্লিতে নামার অনুমতি না দিলে কী হতো, জানালেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ভারতের কাছে কোনও উপায় ছিল না। অনুমতি না দিলে সম্পূর্ণ অন্য রকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার এক আলোচনাসভায় এমনটাই বলেন ঢাকায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী।

দু’বছর আগে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের জেরে পতন হয় হাসিনার সরকারের। ওই বছরের ৫ অগস্ট বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসেন হাসিনা। তাঁর প্রত্যর্পণের দাবিতে গত দু’বছরে বার বার সরব হয়েছে ঢাকা। ভারতও জানিয়েছে, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এ বার হাসিনা প্রসঙ্গে ফের বাংলাদেশের প্রশ্নের জবাব দিলেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত।

শনিবার ঢাকায় আয়োজিত এক আলোচনাসভায় দীনেশের কাছে জানতে চাওয়া হয়—হাসিনাকে কবে প্রত্যর্পণ করা হবে? ওই প্রশ্নের উত্তরে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ফের স্পষ্ট করে দেন, এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলছে। তিনি বলেন, “ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বার বার বলেছেন—এটির একটি প্রক্রিয়া আছে। এটির একটি নির্দিষ্ট কাঠামো আছে। সেই প্রক্রিয়া যে চলছে, এটা আমি নিশ্চিত করতে পারি।” এই আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় জড়িত। তাই প্রত্যর্পণ কবে করা হবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও সময় বলে দেওয়া সম্ভব নয়।

এর পরেই দীনেশ মনে করিয়ে দেন, ভারতীয় সেনা বা বায়ুসেনা হাসিনাকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের সামরিক বিমানেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। দীনেশ বলেন, “হাসিনাজিকে ভারতীয় বায়ুসেনা বা ভারতীয় সেনা নিয়ে আসেনি। তিনি (বাংলাদেশের) সামরিক বিমানে ভারতে আসেন। ভারতের কোনও প্রস্তুতি ছিল না। আমি টিভি-তে দেখছিলাম—সেখানে বলা হচ্ছিল, তিনি অন্য কোনও দেশে যাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, “সেই সময় পর্যন্ত হাসিনাজি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আমাদের কাছে কোনও বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ছিল—বাস্তবটা মেনে নেওয়া। কারণ এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি ছিল না। আমাদের কাছে উপায় কী ছিল! আমরা যদি বলতাম অবতরণের অনুমতি দেব না, তা হলে জানি না কী পরিস্থিতি তৈরি হত।”

কুঠার দিয়ে ভারতীয় ক্যাপ্টেনকে আক্রমণ! ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সন্ত্রাসবাদী হামলাই, মুখ খুলল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি

ককপিট কাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা পর দু’টি পোস্ট! হামলার আগে ‘শিডিউল’ করে রেখেছিলেন অভিযুক্ত পাইলট?

হাসিনার সরকারের পতনের পর সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কে এক চাপানউতরের অবস্থা তৈরি হয়েছিল। চলতি বছরের শুরুতে তারেক রহমান বাংলাদেশে সরকার গড়ার পরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ফের মসৃণ হতে শুরু করে। কিন্তু গত ৫ অগস্ট দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক করেন হাসিনা। সেখান থেকে তিনি নিশানা করেন তারেকের সরকারকেও। ওই ঘটনার পর থেকে ফের দিল্লি-ঢাকা টানাপড়েন বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সম্প্রতি দিল্লিতে আয়োজিত ব্রিক্সের আউটরিচ সেশনে তারেককে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। কিন্তু তিনি আসেননি। কোনও প্রতিনিধিও পাঠাননি।

মুক্তিবাণী

ফেসবুকে

সর্বশেষ আপডেট

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


ভিডিও