সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক মেজর হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক মেজর হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক মেজর হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
মুক্তিবাণী অনলাইন ডেক্স

সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক মেজর হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

রোববার (১ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ বশির আহমেদ আদালতে এ আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আসামি খন্দকার আব্দুল হাফিজ তাঁর সহযোগী লে. (অব.) কাজী গুলশান আরা ও লে. কর্নেল (অব.) দেবাশীষসহ (৪৭) অন্য আসামিদের সহায়তায় সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করছিলেন। পাশাপাশি সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছিলেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনকে পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী সহিংস অপরাধের ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিলেন তিনি।

রিমান্ড আবেদনে অভিযোগ করা হয়, তাঁর ‘খন্দকার এ হাফিজ’ ফেসবুক আইডিসহ বিভিন্ন পেজ থেকে সহিংসতায় উসকানিমূলক কনটেন্ট পোস্ট করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা এবং পুলিশ হত্যার পক্ষে অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল। গত ৫ আগস্টের পর থেকে বর্তমান সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, কুৎসামূলক প্রচারণা এবং দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের সঙ্গে আসামির যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

1. অন্য সহযোগী আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থান শনাক্ত করা।

2. রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজে নিয়োজিত দেশি ও বিদেশি গুপ্তচরদের শনাক্ত করা।

3. অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল আলামত উদ্ধার ও জব্দ করা।

4. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত অন্য কোনো গোপন পেজ বা ওয়েবসাইট রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করা।

5. মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং দেশবিরোধী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রতিহত করা।

6. আসামির কাছ থেকে জব্দ করা আলামত যাচাই-বাছাই করা।

এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মেজর (অব.) খন্দকার আব্দুল হাফিজ তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক কনটেন্ট ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন।

এ ছাড়া কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে অবৈধ অর্থায়ন, পুলিশ হত্যার পক্ষে অপপ্রচার এবং দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের সহায়তায় রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বলে আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেছে ডিবি পুলিশ।

monir
Admin

ফেসবুকে

সর্বশেষ আপডেট

এক ক্লিকে বিভাগের খবর


ভিডিও