![]()
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ২৯ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়নের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশসহ সাধারণ মানুষের অনেকেই সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মন্তব্য, বিষয়টি এমন হওয়ার কথা নয়; কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে হয়তো ভুলভাবে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, গত ১৭ বছরে বিভিন্ন ইস্যুতে মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। মামলা-মোকদ্দমা লড়তে গিয়ে বিক্রি করতে হয়েছে পৈতৃক সম্পত্তিও। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন একাধিক নেতাকর্মী।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এর আগে সতর্ক করার পরও পুনরায় দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকার মাধ্যমে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিউদ্দিন ঝাড়ু বলেন, পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতির কারণে বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারে জেলা যুবদলের কর্মসূচিতে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। নিজে যেতে না পারলেও শ্রীমঙ্গল থেকে নেতাকর্মীদের ওই কর্মসূচিতে পাঠাতে একাধিক বৈঠক করেছেন এবং তাঁদের উৎসাহিত করেছেন। মৌলভীবাজারে যাওয়ার জন্য ছয়টি গাড়ির ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি।
মহিউদ্দিন ঝাড়ু বলেন, “জেলার কর্মসূচিতে যেতে পারিনি, এটা সত্য। এটা আমারই ভুল। তবে আমার সংগঠন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলে আশা করি।”এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব টিটু আহমদ বলেন, “ঝাড়ু ভাইয়ের মেয়ে অসুস্থ ছিল। এ ছাড়া তার নিজ বাড়িতে একজন নারী মারা যাওয়ায় তিনি যেতে পারেননি। তবে তিনি আমাদের বাস ঠিক করে দিয়েছেন। আমরা শ্রীমঙ্গল থেকে ছয়টি বাস নিয়ে মৌলভীবাজারের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি।” তিনিও মহিউদ্দিন ঝাড়ুর বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
![]()










