মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ করেছে। এ ঘটনায় আব্দুল কাইয়ুম (২০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিদেশি সিগারেট,অলিভওয়েল,সফটক্রেম,পাঁচ বস্তা জিরা ও বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে মৌলভীবাজার সড়কের এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালানো হয়। এসময় কুরিয়ার প্যাকেটের ভেতর লুকানো এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
জব্দকৃত মালামাল পন্যের মূল্য, ৯০ হাজার শলাকা বিদেশী সিগারেট বাজার মূল্য ৯ লক্ষ টাকা, keo- karpin olivoyl 500 M,L (৩০ বোতল) ১২ হাজার টাকা,Nivea soft light moisturizing cream ১২০ কৌটা মূল্য ৪৮ হাজার টাকা, k.s Gold ব্যান্ডের ভারতীয় জিরা ০৫ বস্তা (১৫০ কেজি) মূল্য ১ লক্ষ .৫০ পঞ্চাশ হাজার টাকা, ওসির এবং প্যাট্রন ব্যান্ডের বিদেশী সিগারেট ৬ কার্টুন ৩০ হাজার শলাকা বাজার মূল্য ৩০ হাজার টাকা, Made U.A.E লেখা আছে। জব্দকৃত মালমালের আনুমানিক প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।গ্রেফতারকৃত আসামী ১, শ্রীমঙ্গল উপজেলার টিকরিয়া এলাকার -মোঃ মহিবুল মিয়া ছেলে,আব্দুল কাইয়ুম । পলাতক আসামীরা হলো ২। সিন্দুরখাঁন রোডে ইসমাইল আহমেদ এর ছেলে সাইদুল ইসলাম মামুন (৩৬), ৩। বানিয়াচং এলাকার মো: আব্দুল ছমেদ মিয়ার ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৩৭), ৪। শ্রীমঙ্গল রামনগর এলাকার মৃত কনাই মিয়াী মেয়ে, নিলুফা বেগম (৫৩), ৫। পূর্ব শ্রীমঙ্গল এলাকার পরিমল ঘোষ’র ছেলে গৌরাঙ্গ ঘোষ (৩৬) ৬।সিলেটের পশ্চিম কানাইঘাট এলাকার সমশের আলী ছেলে মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (৫৯),৭। পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বগাবন্দর এলাকার মো: ফারুক ইসলাম’ র ছেলে মোঃ আশিকুর রহমান (৩০), ৮। বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার সাতশিকা এলাকার শেখ বাসারাত’র ছেলে শেখ আশিকুজ্জামান (২৩) সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে এজাহার দায়ের করা হয়েছে , শ্রীমঙ্গল থানার জিডি নং-৬৪৩। এরা সকলেই ভারতীয় চোরাই পন্য দেশের বিভিন্ন জায়গাতে রপ্তানি করে আসছে চা পাতার ব্যবসার আড়ালে।
শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তথ্য ছিল—একটি চক্র গোপনে কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে মৌলভীবাজার সড়কের এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালানো হয়। এসময় কুরিয়ার প্যাকেটের ভেতর লুকানো এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা পণ্যের মূল্য প্রায় ১১ লাখ টাকা। এসব পণ্য আদালতের নির্দেশে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, জব্দ করা কার্টন ও চালানের নথি যাচাই করে পণ্যের প্রেরক ও প্রাপকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া কাইয়ুম মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারি চক্রের আরও কয়েকজন সদস্যের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে













পাঠকের মন্তব্য